সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

প্রেম লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নারীরা কিভাবে কথা বলে?

নারী ও পুরুষের শারীরিক ও মানসিক ভিন্নতা যেমন রয়েছে, তেমনি তাদের উভয়ের কথা বলার ভিন্নতাও রয়েছে। একই কথা বা একটি বাক্য কোনো নারী বললে যে অর্থ হয়, কোনো পুরুষ বললে সে অর্থ হয় না। দু’জনে কথা বলার সময়ে একই শব্দ ব্যবহার করলেও অর্থ হয় ভিন্ন ভিন্ন। উদাহরণ স্বরূপ, কোনো নারী যদি তাঁর জীবনসঙ্গীকে বলেন – “তুমি কখনোই আমার কোনো কথা শুনো না”, তখন এ কথাটিকে পুরুষেরা আক্ষরিক অর্থে বুঝে নেন। কিন্তু নারীটি আক্ষরিক অর্থে বুঝানোর জন্যে এ কথাটা বলেননি। তিনি আসলে বুঝাতে চেয়েছেন যে – “আমি তোমাকে একটা কথা বলতে চাই, তোমার কি শুনার আগ্রহ আছে?” নারীরা কোনো কথাকে আক্ষরিক অর্থে বলেন না, বরং সব কথাকে সাধারণ অর্থে বলে থাকেন। কিন্তু পুরুষরা নারীদের সব কথাকে আক্ষরিক অর্থে বুঝে থাকেন, এবং সেভাবেই উত্তর দেন। নিচের কয়েকটি উদাহরণ দেখুন –

ইসলাম কি ভালোবাসার বিরুদ্ধে?

ইসলাম ভালোবাসার বিরুদ্ধে নয়, বরং ভালোবাসার নামে যারা প্রতারণা করে, ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে। ইসলাম মানুষকে ভালোবাসার জন্যে আদেশ করে। যেমন রাসূল (স) বলেছেন - لا تدخلون الجنة حتى تؤمنوا ، ولا تؤمنوا حتى تحابوا أولا أدلكم على شيء إذا فعلتموه تحاببتم : أفشوا السلام بينكم “একজন মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না ঈমান আনয়ন করবে। একজন মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি জিনিস বলব, যা  পালন করলে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসার সৃষ্টি হবে? তা হলো – তোমাদের মধ্যে সালামের বিস্তার ঘটাও।” [সহীহ মুসলিম, মাকতাবায়ে শামেলা, হাদিস নং – ৯৩] তাহলে ইসলাম কিসের বিরুদ্ধে? ইসলাম ভালোবাসার নামে প্রতারণার বিরুদ্ধে। একটি উদাহরণ দিচ্ছি।

ডিজিটাল প্রেমের ছড়া

তুমি আমার সকাল বেলার দুইটা সিদ্ধ ডিম, তুমি আমার দৌড়াদৌড়ি পেট কমানোর জিম। তুমি আমার ফেইসবুকের একশ একটা শেয়ার তুমি আমার পড়ার টেবিল ঘুম পাড়ানি চেয়ার। তুমি আমার ইউটিউবের পছন্দের এক লেকচার, তুমি আমার কি-বোর্ডের আঙ্গুলের ঘর F, J, R তুমি আমার মোটা একটা একাডেমিক বই, তুমি আমার জীবন মরণ তুমি আমার সই

কোন ধরণের নারী ও পুরুষকে বিয়ে না করা উচিত?

আরবি একটা প্রবাদ আছে, ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করো না। সেই ছয় প্রকার হোলো- আন্নানা, মান্নানা, হান্নানা, হাদ্দাকা, বাররাকা ও শাদ্দাকা। "আন্নানা" হোলো সেই নারী যে সবসময়য় 'হায় আফসোস' করতে থাকে। এবং অলস, 'রোগিণী' ভান করে বসে থাকে। এমন নারীকে বিয়ে করলে সংসারে বরকত হয় না। "মান্নানা" হোলো সেই নারী যে স্বামীকে প্রায়ই বলে - 'আমি তোমার জন্যে এই করেছি, সেই করেছি।' "হান্নানা" হোলো সেই নারী যে তার পূর্ব স্বামী বা প্রেমিকের প্রতি আসক্ত থাকে। "হাদ্দাকা" হোলো সেই নারী যে কোনো কিছুর উপর থেকেই লোভ সামলাতে পারে না। সব কিছুই পেতে চায়, এবং স্বামীকে তা ক্রয়ের জন্যে নিয়মিত চাপে রাখে। "বাররাকা" হোলো সেই নারী যে সারাদিন কেবল সাজসজ্জা ও প্রসাধনে মেতে থাকে। এই শব্দের অন্য একটি অর্থ হোলো যে নারী খেতে বসে রাগ করে চলে যায়। এবং পরে একা একা খায়। "শাদ্দাকা" হোলো সেই নারী যে সবসময় বকবক করে _________________ অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, "কোন ধরণের পুরুষদের বিয়ে করা যাবে না?"

বউয়ের সাথে মিথ্যা কথা?

একবার এক প্রেমিক বন্ধুকে জিজ্ঞাস করেছিলাম, "প্রেম করতে কি যোগ্যতা লাগে রে?" সে বললোঃ "কিচ্ছু না, অনর্গল মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতে পারলেই হলো।" আবদুল্লাহ আবু সাইদ একবার আমাদেরকে বলেছিলেন, "প্রেম হচ্ছে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বসে বসে বাদাম খাওয়া, আর অনর্গল মিথ্যা বলে যাওয়া। দু'জনেই জানে যে, দু'জনেই মিথ্যা বলছে। তারপরেও একে অপরকে বলে- আরো বলো, আরো বলো"। বিয়ে ছাড়া যে প্রেম, সে প্রেমকে টিকিয়ে রাখতে হলে মিথ্যার উপরেই ভর করতে হয়। সত্য বললে সে প্রেম টিকে না। কিন্তু, বিয়ের ক্ষেত্রে? অনেকে বিয়ে করতে গেলেও অজস্র মিথ্যা বলে। কিন্তু, পৃথিবীর কোনো সম্পর্কই মিথ্যার উপর বেশিদিন টিকে থাকে না। বিয়ে পড়ানোর সময়ে ইমাম সাহেব যে কয়টি আয়াত পড়েন, তার একটি হলো - يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَقُولُوا۟ قَوْلًۭا سَدِيدًۭا "হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল।" [সূরা ৩৩/ আহযাব - ৭০] আমাদের সমাজে একটি কথা প্রচলিত আছে - "স্বামী বা স্ত্রীর সাথে মিথ্যা বলা জায়েজ"। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ কোর'আন বিরোধী একটি কথা। একজন মানুষ তাঁর জীবনসঙ্...

মনের মত মানুষ পাওয়া সম্ভব?

"আমি আমার মনের মত একজন মানুষ চাই" - এ বাক্যটি প্রায়ই আমরা বলে থাকি, কিংবা শুনে থাকি। সাধারণত বিয়ে করার সময়ে, অথবা, জীবনসঙ্গীকে পছন্দ করার সময়ে মানুষ এ কথাটি বলে থাকে। কিন্তু, এ বাক্যটির মাঝে একটি বড় ধরণের ভ্রান্তি রয়েছে। ভ্রান্তিটি হলো, কেউ যদি তাঁর মনের মত মানুষ চায়, তাহলে সারাজীবনেও তিনি তাঁর 'মনের মত মানুষ' খুঁজে পাবেন না। কেননা, আল্লাহ তায়ালা এ পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষকেই ইউনিক করে তৈরি করেছেন। অর্থাৎ, পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে তিনি একটি স্বতন্ত্র মন এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ ব দান করেছেন। ফলে, পৃথিবীর যে কোনো দু'জন মানুষের দুটি মন কখনোই শতভাগ মিল হওয়া সম্ভব না। ধরুন, একই পরিবারের যমজ দুই বোন বা যমজ দুই ভাই। তাঁরা উভয়ে একই বাবা-মায়ের সন্তান; একই সময়ে এবং একই পরিবেশে বেড়ে ওঠা সত্ত্বেও দু'জনের মন কখনো হুবহু এক হয় না। তাহলে, দুইটি পরিবারে এবং দুইটি পরিবেশে বড় হওয়া একটি ছেলে ও একটি মেয়ের মন কিভাবে এক হওয়া সম্ভব? যেখানে আমরা নিজেরাই নিজেদের মনকে ঠিকভাবে বুঝতে পারি না, সেখানে নিজের মনের মত অন্য একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া কি আদৌ সম্ভব?

বিয়ের আগে মেয়ের সাথে পরিচিত হতে হবে?

বিয়ে করতে গেলে তিনটি পর্ব বা তিনটি সময় অতিক্রম করতে হয়। এক – খিতবাহ বা মেয়ের সাথে পরিচিতি পর্ব। দুই – আকদ বা বিয়ের চুক্তি পর্ব। তিন – নিকাহ বা দাম্পত্য জীবন পর্ব। আমাদের দেশে বিয়ের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বটি সম্পর্কে অনেকের স্বচ্ছ ধারণা থাকলেও প্রথম পর্বটি নিয়ে কেউ কেউ বেশ দ্বিধায় থাকেন। অর্থাৎ, খিতবাহ পর্ব বা মেয়ের সাথে পরিচয় পর্বটা আসলে কেমন হবে? –এটা অনেকের কাছে স্বচ্ছ নয়। খিতবাহ হলো বিয়ের উদ্দেশ্যে ছেলে-মেয়ে পরস্পরকে দেখা ও জানা-বুঝার পর্ব। মেয়ে যদি বিধবা হয়, তাহলে মেয়ের পরিবারের অজ্ঞাতেই ছেলে মেয়েটিকে জানা-বুঝার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু, মেয়ে যদি কুমারী হয়, তাহলে মেয়ের পরিবারের সম্মতিতে মেয়েকে দেখা ও জানা-বুঝা চেষ্টা করাটাকে খিতবাহ পর্ব বলা হয়। খিতবাহ পর্বটি ভালোভাবে না বুঝার কারণে সাধারণ দুটি ভুল হয়।

প্রেম ও বিয়ে : সমস্যা ও সমাধান

বড় ভাই ও বন্ধুদের মাঝে যাদের ‘প্রেম-বিয়ে’র গল্প আমাকে শুনতে হয়েছে, সবগুলো মোটামুটি একই। ছেলে-মেয়ে দু’জন দুজনকে দেখে পছন্দ হয়েছে। কিছুদিন প্রেম করেছে। এরপর, মেয়ের পরিবার মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিতে চাইলো। কিন্তু ছেলে তখনো বেকার, পড়াশুনা করে। বেকার ছেলের কাছে মেয়ের পরিবার কোনোভাবেই মেয়ে বিয়ে দিবে না। কারণ, ছেলে বিয়ে করে মেয়েকে রাখবে কোথায়? খাওয়াবে কোত্থেকে, এবং পরাবে কি? সুতরাং, ছেলে-মেয়ের এ সম্পর্ক কোনো ভাবেই মেনে নেয়া হবে না – এটাই মেয়ের পরিবারের শেষ সিদ্ধান্ত হয়। তারপর, তারা দু’জন পালিয়ে বিয়ে করে ফেলেন। এখন দুই পরিবারের কেউই এ বিয়ে মেনে নিচ্ছে না। - এ সমস্যাটি আমাদের সমাজে প্রচুর। বন্ধু হিসাবে আপনি যদি বন্ধুর পক্ষে কথা বলেন, তাহলে বন্ধুর পরিবার আপনাকে খারাপ বলবে। অন্যদিকে, আপনি যদি বন্ধুর পরিবারের পক্ষে কথা বলেন, তাহলে আপনার প্রিয় বন্ধুকে আপনি চিরতরে হারাতে হবে। সুতরাং, এ ক্ষেত্রে সমাধান কি? কেউ কেউ হয়তো বলবেন, যেহেতু তারা প্রেম করে বিয়ে করেছে, সুতরাং তাদের পক্ষে না যাওয়া-ই ভালো। আবার, কেউ কেউ হয়তো বলবেন, তারা যেহেতু বিয়ে করেই ফেলেছে, সুতরাং পরিবারের উচিত এই বিয়ে মেনে নেয়া। আসলে, এ ক্ষেত্রে...