সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ধার্মিক লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছদ্মনাম ব্যবহারের উপকারিতা

ছদ্মনাম ব্যবহার করার কিছু উপকারিতা। ১। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছদ্মনাম ব্যবহার করলে অনেক স্বাধীনতা অর্জন করা যায়। মনে যা চায়, তাই করা যায়। যেমন, কাউকে গালাগালি করা, হুমকি দেয়া, বা অশ্লীলতার চর্চা সহ সবকিছুই খুব সহজে ও স্বাধীনভাবে করা যায়। ২। ছদ্মনামে অনেক ‘ধর্মযুদ্ধ’ করা যায়। যেমন, হিন্দুরা মুসলিমদের ছদ্মনাম নিয়ে কিংবা মুসলিমরা হিন্দুদের ছদ্মনাম নিয়ে একে অপরকে শক্তিশালী গালাগালির অস্ত্র দিয়ে ধরাশায়ী করে ফেলতে পারে। ৩। ছদ্মনামের মানুষেরা অনেক বেশি ধার্মিক হতে পারে। কেউ ব্যক্তিজীবনে পরিচিত মানুষদের কাছে যত খারাপ-ই হোক না কেনো, তিনি ছদ্মনামে সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে অন্যদের তাকওয়া নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। অন্যদের ভুল ধরা, অন্যদেরকে উপদেশ দেয়া, এবং গালাগালি করার ক্ষেত্রে ছদ্মনাম খুবই উপকারী। ৪। ছদ্মনামে অনেক রাজনীতি করা যায়। নিয়মিত ও যথেষ্ট গালাগালি করার মাধ্যমে যে কোনো স্বৈরশাসককে খুব সহজে উৎখাত করে দেয়া সম্ভব। ৫। ছদ্মনামে প্রচুর ‘জিহাদ’ করা যায়। নিজের প্রকৃত নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার সাহস না থাকলেও কাফেরদেরকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার সাহস কিন্তু তাঁদের ঠিকই থাকে। এ ছাড়াও ছদ্মনামের আরো হাজার হাজার গোপনীয় ...

গার্লফ্রেন্ড থাকলে সমস্যা কি?

মেয়ে বন্ধু নিয়ে চিন্তা করলে আর যাই হোক না কেন, বড় কোনো জ্ঞানী বা বিজ্ঞানী হওয়া যায় না। এ কথাটা আমি বলিনি, বলেছেন – বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন। আমাদের যেমন দু’একজন খারাপ বন্ধুবান্ধব থাকে, নিউটনেরও এমন দু’একজন খারাপ বন্ধু ছিল। একবার, তারা নিউটনকে অনেক বুঝিয়ে-শুনিয়ে একটি মদের হাউজে নিয়ে যায়। সেখান কিছু খারাপ মেয়েও ছিল। নিউটন অনেক কষ্টকরে কিছুক্ষণ থাকলেন। কিন্তু, বের হয়ে এসে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন – ‘তিনি আর কখনো ঐসব খারাপ বন্ধুবান্ধবদের সাথে চলবেন না, এবং কখনো আর ঐসব মদের হাউজে প্রবেশ করবেন না’। কারণ হিসাবে নিউটন বলেছিলেন, ‘ঐসব খারাপ স্থানে গেলে তার পড়াশুনা ও চিন্তা-ভাবনা সব একেবারেই ধ্বংস হয়ে যায়’। এরপর, নিউটন ঐসব খারাপ বন্ধুদের সঙ্গ ত্যাগ করে পড়াশুনায় ও ধর্ম পালনে মনোযোগী হন। কারণ, নিউটন ছিলেন খুবই ধার্মিক একজন মানুষ। নিউটন সবসময় বলতেন –

নিউটনের মত হতে চাইলে...

আপনার বয়স যদি ১৯ –এর কম হয়, তাহলে আপনার সম্ভাবনা আছে; আপনি নিউটনের মত জ্ঞানী হতে পারবেন। না, মজা করছি না। সত্যি বলছি। নিউটনের বয়স যখন ১৯ ছিল, তখন তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন – জীবনে আর কখনো কোনো পাপকাজ করবেন না। কেবল ‘ইনশাল্লাহ’ বলেই তিনি থেমে যাননি। তাঁর জ্ঞান হবার পর থেকে ১৯ বছরের আগ পর্যন্ত তাঁর দ্বারা যতগুলো অন্যায় ও পাপকাজ হয়েছে, তিনি সবগুলোর একটা তালিকা তৈরি করলেন। এরপর, ঐ তালিকাটি ধরে তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন যে, জীবনে আর কখনো এই পাপ কাজগুলো তিনি দ্বিতীয়বার করবেন না। এ কারণেই, গান-বাজনা, পার্টি করা, আড্ডা মারা এসব তিনি পছন্দ করতেন না। খারাপ বন্ধুদের সাথে কোথাও ঘুরতে যেতেন না, এবং সবসময় খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকতেন। নিউটন মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন, জ্ঞান ও কল্যাণের পথে পাপকাজ বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।