সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ছড়া লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফাঁস

প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে সব যুগে সব দেশে, খুঁজে দেখো পাবে তুমি প্রমাণ ইতিহাসে। "হ" দিয়ে ঐ হীরক রাজা "হ" দিয়ে তার নাম, যুগে যুগে করলো তারাই প্রশ্ন ফাঁসের কাম। মুক্তিযুদ্ধ করে মোরা হয়েছি স্বাধীন, তাই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হবে বাধাহীন।

শিক্ষিত দাস

আমরা সবাই আধুনিক শিক্ষিত ও দাস, শিক্ষা হলো কর্পোরেটের দাসত্ব বিন্যাস। জ্ঞান মানেই সার্টিফিকেট পরীক্ষা আর পাশ, রেজাল্ট মানে আগের রাতে প্রশ্নপত্র ফাঁস। সরকারী চাকরগিরি কোটার জন্যে খাস, মেধাবীরা গ্রামে গিয়ে করবে জমির চাষ। শিক্ষামন্ত্রী যোগ্যতাতে একেবারেই পাশ, ইচ্ছে তাহার জাতীর মেধার করবে সর্বনাশ।

সাহসী নারী

নারীর বস্ত্রহরণকারিণী নেত্রী মোদের শ্রাবণী ক্যামেরার সামনে দিলেন তিনি সাহসী নারীর বাণী। গান বাজানোর প্রতিবাদে উচ্চ স্বরে রাতে, বৃদ্ধ পুরুষ পটল তুলেছে সাহসী নারীর হাতে। প্রেমিকটাকে ছুরি মেরে লাভলী ইয়াসমিন বাজিয়ে দিলেন এই বাংলায় সাহসী নারীর বীণ। বাবা মাকে হত্যাকারিণী ইয়াবা নারী ঐশী সেও হলো এই বাংলার মস্ত বড় সাহসী। মহান নারীর নেতৃত্বে দেশে নেই তো ভয়, চতুর্দিকে শুনছি কেবল সাহসী নারীর জয়। ওগো প্রিয়া, তুমি কি ঐ সাহসী নারীর দলে? এমন হলে, জগত ছেড়ে এখনি যাব চলে।

দেনমোহর

ওদের আছে অনেক কিছু বাড়ি, গাড়ি, টাকা আমার ওসব কিছুই নেই পকেটটাও ফাঁকা নেই নেই তো কিছুই নেই বিয়ের মাহর কেমনে দেই? কিন্তু জানো? বুকের ভিতর এক জিনিসে ঠাসা, তাঁহার জন্যে এই হৃদয়ের শুদ্ধ ভালোবাসা।

ডিজিটাল প্রেমের ছড়া

তুমি আমার সকাল বেলার দুইটা সিদ্ধ ডিম, তুমি আমার দৌড়াদৌড়ি পেট কমানোর জিম। তুমি আমার ফেইসবুকের একশ একটা শেয়ার তুমি আমার পড়ার টেবিল ঘুম পাড়ানি চেয়ার। তুমি আমার ইউটিউবের পছন্দের এক লেকচার, তুমি আমার কি-বোর্ডের আঙ্গুলের ঘর F, J, R তুমি আমার মোটা একটা একাডেমিক বই, তুমি আমার জীবন মরণ তুমি আমার সই

আরেকটি হৃদয় কর দান

হে প্রভু, আমার হৃদয় এতো বড়ো নয় যেখানে ভালোবাবাসার জায়গা হয়,   এ বুকে আরেকটা হৃদয় কর দান যেখানে হবে তাঁর উপযুক্ত স্থান।   প্রথমত, তুমি আমার ভালোবাসা দ্বিতীয়ত, তুমি আমার ভালোবাসা অষ্টম, নবম, দশম, তুমি আমার ভালোবাসা।   يا رب قلبي لم يعد كافيا لأن من أحبها .. تعادل الدنيا فضع بصدري واحدا غيره يكون في مساحة الدنيا   فأولا: حبيبتي أنت وثانيا: حبيبتي أنت وثامنا وتاسعا وعاشرا.. حبيبتي أنت

আলো

জ্ঞানের পথে, প্রথম ধ্যান। জ্ঞান কি আলো? না, আলো-ই জ্ঞান? জ্ঞানের আলো? না, আলোর জ্ঞান? রবি বলে – আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা। আলো নয়ন-ধোওয়া আমার, আলো হৃদয়-হরা। সে বলে – আলোয় আলোয় খেলা, আলোয় জ্ঞানের মেলা। আলোর আলো তুমি, কালোর আলো তুমি। চাঁদ, সূর্য, তোমার আলো তুমি বিনে নেই আলো, যা দেখ, তাই আলো তুমি ছাড়া সব কালো। আমি বলি – জ্ঞান তুমি, আলো তুমি, আমি দেখি শুধু তুমি, পাই না নিজ আমি দেখি আলো, কই আমি? সূত্র [২৪:৩৫]

আজব দেশ

আজব দেশের নাম শুনেছি দাদা-দাদীর মুখে, সেই দেশটি দেখার খুবই ইচ্ছা ছিল বুকে। হঠাৎ একটি দৈত্য এসে বদলে দিল সব, মোদের দেশটা হয়ে গেল একেবারে আজব। দাদা-দাদীর আজব দেশে সুখ ছিল না শেষ, কিন্তু মোদের আজব দেশে দুঃখের তো নেই শেষ। বলব তোমায়? আজব দেশের দুঃখের কাহিনী? আছে কিনা? আশেপাশে পুলিশ বাহিনী? আজব দেশের মানুষেরা প্যাঁচার পূজা করে, মঙ্গল শোভা না করলে পুলিশ তারে ধরে। মুখের দাঁড়ি বড় হলে জঙ্গি তারে বলে, ক্রসফায়ার করে তারে ফেলে নদীর জ্বলে। আজব দেশের দুঃখ বলে, হবে না তো শেষ। বলতে পার? নাম কি ওটার? প্রিয় বাংলাদেশ!!

কেমন হত?

মানুষ যদি পাখি হত, তখন কি ভিসা হত? আমাদের ফেলানীরা তখন কি গুলি খেত? বিএসএফ হায়েনারাও তখন কি মানুষ হত? দিল্লীর দালালেরা তখন কি গরু হত? বাংলার মিডিয়া তখন কি অন্ধ হত? মোদের দুঃখ, হাসি না তখন কি ভারত যেত?

স্বাধীনতা কারে কয়?

এক, দুই, তিন আমরা কি স্বাধীন? চার, পাঁচ, ছয় স্বাধীনতা কারে কয়? সাত, আট, নয় দেশ কি মোদের নয়? দশ, এগারো, বারো ভয় কি কর কারো? – তেরো, চোদ্দো, পনেরো কোর’আনটাকে ধরো। ষোল, সতের, আঠারো ভালো করে পড়ো। উনিশ, বিশ, একুশ আসবে ফিরে হুঁশ। হবে স্বাধীন মানুষ।।