সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মারামারি

কিছুদিন আগে বিশ্ববিখ্যাত স্কলার (John Esposito) জন এসপোজিডোর সাথে দেখা হলো। এসপোজিডো একজন খ্রিষ্টান, কিন্তু ইসলামের পক্ষে তিনি প্রচুর কাজ করেছেন। এ কারণে, অনেক অনেক মুসলিম স্কলারও তাঁকে উস্তাদ হিসাবে গণ্য করেন। তো যাই হোক, তাঁর সাথে দেখা হবার পর, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু'জন তাঁকে বললাম যে, "আমরা বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসেছি"। তিনি বললেন, "ও...। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তো আমি চিনি। সেখানে গেস্ট শিক্ষক হিসাবে ছিলাম কিছুদিন।" তারপর তিনি তাঁর অভিজ্ঞতার কথা শুনালেন আমাদের। একদিন তিনি ক্লাস নিচ্ছেন। হঠাৎ দেখলেন ছাত্ররা সব বেঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে গিয়েছে। তিনি ভাবলেন, সম্ভবত তাঁর ক্লাস ছাত্রদের পছন্দ হয় নি, তাই ছাত্ররা দাঁড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু তিনি পরে বুঝতে পারলেন, বাইরে মারামারি হচ্ছে। ছাত্ররা মারামারিতে অংশ নেয়ার জন্যে ক্লাস ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তিনি বললেন, "এ ঘটনা দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। কেন ছাত্ররা ক্লাস ছেড়ে মারামারি করতে গেলো?" তাঁর এ প্রশ্ন শুনে আমরা খুবই লজ্জিত হয়ে গেলাম। তাঁকে কোনো উত্তর দিতে পারি নি। তবে এখন মনে হচ্ছে, এসপোজিডোর ভাগ্য ভালো ছিলো...

মঙ্গল শোভাযাত্রায় কারা যায় এবং কেন যায়?

বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ছিলাম, তাই ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় অনেক কিছুই দেখতে ও শুনতে হয়েছে। ভালো মুসলিমদের কেউ কখনো মঙ্গল শোভাযাত্রায় যায় না। এটাকে শিরক মনে করে। তাহলে যায় কারা? এবং কেন? এক। মঙ্গল শোভাযাত্রায় সবচেয়ে বেশি অংশ গ্রহণ করেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। ঢাকেশ্বরী মন্দির ও জগন্নাথ হলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মঙ্গল শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। মঙ্গল শোভাযাত্রাকে অনেক হিন্দু যেহেতু তাদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান মনে করেন, তাই এ নিয়ে আমার কোনো কথা নেই। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন যত ইচ্ছা তত যেতেই পারেন তাদের মঙ্গল শোভাযাত্রায়। দুই। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে থাকা ছাত্র-ছাত্রীরা মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণে দ্বিতীয়। ছাত্র-ছাত্রীরা সবাই নিজ ইচ্ছায় মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করে, ব্যাপারটা এমন না। ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে জোর করে মঙ্গল শোভাযাত্রায় নিয়ে যায়। যারা হলে থেকেছেন, তারা বিষয়টা ভালোভাবে জানেন। নেতা-নেত্রীরা নিজেদেরকে ভগবানের ছেয়েও বড় মনে করে। তাদের ছোট্ট একটা কথাও যদি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা না শুনে তাহলে হাত-পা ভেঙ্গে সোজা পুলিশে ধরিয়ে দেয়া হয়। ...