সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ভাস্কর্য লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভাস্কর্য এবং মূর্তির পার্থক্য

এক ভাস্কর্য এবং মূর্তির মাঝে অনেক বড় পার্থক্য আছে। ভাস্কর্য হলো সুন্দরের প্রতীক, কিন্তু মূর্তি হলো চেতনার প্রতীক। থেমিসের জন্যে যারা কান্নাকাটি করছে, তারা থেমিসকে সুন্দরের প্রতীক মনে না করে বরং চেতনার প্রতীক মনে করে। প্রশ্ন হলো, ইসলাম ভাস্কর্যকে সমর্থন করলেও মূর্তিকে সমর্থন করে না কেন? কারণ হলো, কোনো অচেতন বস্তু কখনো কোনো চেতনার প্রতীক হতে পারে না। পৃথিবীতে মানুষ উন্নত চেতনার অধিকারী, এবং পাথর নিম্ন চেতনার অধিকারী। উন্নত চেতনার মানুষ যখন নিম্ন চেতনার পাথরকে তার চেতনার প্রতীক মনে করে, তখন মানুষের চেতনা নিম্নগামী হতে শুরু করে। মানুষ যখন তার চেতনার স্তর থেকে নিম্ন বস্তুর স্তরে নামতে শুরু করে, তখন মানুষ পশু হয়ে যায়। এভাবে কেউ যদি পশুর স্তর থেকে আরো নিচে নামতে শুরু করে, তাহলে সে একসময় অচেতন বস্তুর মত হয়ে যায়। পৃথিবীতে মানুষের কাজ হলো বিশ্বের সর্বোচ্চ চেতনার সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করা। ধার্মিক মানুষেরা এ কাজটি তাদের সালাত ও সাওমের মাধ্যমে পালন করার চেষ্টা করে। কিন্তু যারা অচেতন বস্তুকে তাদের চেতনার প্রতীক মনে করে, তারা প্রকৃতির বিপরীতে চলতে চায়। এর ফলে তারা মানুষের চেতনার স্তর থেকে বস্তুর স্ত...

কন্যা

কন্যা! থেমিস কেন? আদালত মন্দিরে চাই তোমার মূর্তি। ধর্ষক, না, সোনার ছেলেরা উৎসাহ পাবে, তোমায় দেখে; তুমি অপকর্মের শুরু। সাক্ষী, না, মিথ্যুকেরা লজ্জা পাবে, তোমায় দেখে; তুমি চেতনার গুরু।। থেমিস নয়, দেবী নয়, প্রতিমা নয়, কোনো ভাস্কর্য নয়, – চাই তোমার মূর্তি, জ্বলে উঠুক চেতনার মন্দিরে। পুলিশ, না, খুনির রাইফেল উঁচু হবে, তোমায় দেখে; তুমি নেতা ওদের দলে। হাকিম, না, জল্লাদের মাথা নত হবে, তোমায় দেখে; পরাজিত সবে, তোমার বলে।। কন্যা, থেমিস নয়, শুধু তোমাকে চাই; যেন দেখে ভয় পাই।