সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আয়েশা (রা) লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আয়েশা (রা)-এর বয়স নিয়ে প্রশ্ন

আয়েশা (রা) তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কখনো অভিযোগ করে বলেননি যে, কেন তাকে ছোট বয়সে বিয়ে দেয়া হয়েছিল? অথচ, ধর্ম-বিদ্বেষীরা এ নিয়ে রাসূল (স)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। আদালতের নিয়ম অনুযায়ী, বাদী নিজে অভিযোগ না করা সত্ত্বেও অন্য কেউ অভিযোগ তুললে আইনের কাছে সেটি একটি ভুয়া অভিযোগ হিসাবে প্রমাণিত হয়। এবং এমন ভুয়া অভিযোগকারীকে মানহানি মামলায় শাস্তি প্রদান করার বিধান রয়েছে। আদালতের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো মৃত ব্যক্তির মানহানি করা যাবে না। তাই, রাসূল (স)–এর মানহানিও অন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ______ আয়েশা (রা)-এর বয়স নিয়ে প্রশ্ন যারা করেন, তাদেরকে রাসূল (স)-এর প্রথম স্ত্রীর নাম, বয়স ও বিয়ে করার কারণ জিজ্ঞেস করুন। সঠিক জবাব দিতে পারবেন না। আসলে, যারা খাদিজার (রা)-এর বয়স জানেন না, তারাই আয়েশা (রা)-এর বয়স নিয়ে ভুয়া অভিযোগ করেন।

ভালোবাসা মানে কি বিবেচনাহীন সব কথা মেনে নেওয়া?

আয়েশা (রা) রাসূল (স)-কে খুব ভালোবাসতেন। রাসূল (স)-ও আয়েশা (রা)-কে খুবই ভালোবাসতেন। কিন্তু, আয়েশা (রা)-এর বিরুদ্ধে অপবাদ আসার পর, রাসূল (স) তাঁকে বললেন – “হে আয়েশা, তুমি যদি কোনো গুনাহে জড়িয়ে গিয়ে থাক, তাহলে আল্লাহর কাছে তাওবা ও ইসতিগফার কর।” রাসূল (স)-এর এই কথার বিপরীতে আয়েশা (রা) তাঁর যুক্তি উপস্থাপন করে বললেন – “আমি যদি বলি আমি নিষ্পাপ, তাহলে আপনারা বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু আল্লাহ জানে আমি নিষ্পাপ। অন্যদিকে, আমি যদি বলি আমি দোষী, তাহলে আপনারা বিশ্বাস করবেন, কিন্তু আল্লাহ জানে আমি নিষ্পাপ। সুতরাং, আমি [তওবা না করে,] ধৈর্য ধারণ করব”। এরপর, যখন কোর’আন দ্বারা প্রমাণ হলো যে, আয়েশা রা ছিলেন নিষ্পাপ; তখন আয়েশা (রা)-এর মা তাঁকে বললেন – “যাও, রাসূলের কাছে গিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এসো”। তখন আয়েশা (রা) বললেন – “না। আমি আমার আল্লাহ ব্যতীত কারো কাছেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করব না”। এখানে আয়েশা (রা) তাঁর নিজের যুক্তি-বুদ্ধির বিরুদ্ধে গিয়ে রাসূল (স)-এর সাধারণ একটি কথাকে মেনে নেননি, তিনি কেবল আল্লাহর কথাই বিনা যুক্তিতে মেনে নিয়েছেন। কিন্তু, তাই বলে, আল্লাহর রাসূলের প্রতি আয়েশা (রা)-এর ভালোবাসা আমাদের চেয়ে ...