সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Beware of pride and self-praise

The Prophet (sal Allahu alaihi wa sallam) said, “ Shall I not inform you about the inmates of Hell? It is every violent, impertinent and proud person. [Sahih Al-Bukhari and Muslim] Dear brothers and sister, To think oneself greater in comparison with other people is pride. A proud man is who can’t accept admonitions as there is pride in him. The devil is the best instance of pride. He was driven out paradise by God as he toke pride and did not prostrate before Adam in obedience to God’s command. He said: You have created me of fire and Adam of clay. For this reason, our Prophet (sal Allahu alaihi wa sallam) said: “Who has an atom of pride in him will not enter Paradise”.

Know yourself and know your enemy

Indeed, Satan is an enemy to you; so take him as an enemy. He only invites his party to be among the companions of Hell. ( Surah No. 35, Fatir, Verse No.6) Dear brothers and sister, Satan always comes to the believer from his weak side in order to lead him astray.  If Satan finds a person rigorous in a particular act, he comes to him from another direction.  For example, if a student is careful in his study, then Satan will attempt to sway him regarding a girlfriend or a boyfriend. Satan continually attempts to prevent us from making the right choice. But Allah wants us to purify and distance ourselves from Satan.

ওহী ও যুক্তি কি একে অপরের বিপরীত হতে পারে?

মানুষের হৃদয়ের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। যাদের হৃদয় অচেতন, তাদেরকে মূর্খ বলা হয়। কিন্তু জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে যাদের হৃদয় উন্নত চেতনায় পৌঁছে, তাদের হৃদয়ে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াত সৃষ্টি হয়। আল্লাহ তায়ালা বলছেন – بَلْ هُوَ آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ فِي صُدُورِ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا الظَّالِمُونَ যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের অন্তরে রয়েছে স্পষ্ট আয়াত। কেবল জালিমরাই আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে। [সূরা ২৯/আনকাবুত – ৪৯] এ আয়াতে বলা হচ্ছে, জ্ঞানীদের অন্তরে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াত রয়েছে। অর্থাৎ, কোর’আনেও আল্লাহর আয়াত রয়েছে, আবার জ্ঞানী লোকের অন্তরেও আল্লাহর আয়াত রয়েছে। তাই, জ্ঞানীদের অন্তর ও আল কোর’আন কখনো পরস্পর বিরোধী হতে পারে না। অনেকে বলেন, ওহী ও যুক্তির মাঝে পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু, এ আয়াতে দেখা যায়, ওহী ও যুক্তির উৎস একই। অর্থাৎ, ওহী আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা একটি আদেশ ও সুস্পষ্ট নিদর্শন, আবার হৃদয় পরিচালনাকারী রূহও আল্লাহর পক্ষে থেকে আসা একটি আদেশ ও সুস্পষ্ট নিদর্শন। দুটি একই উৎস থেকে আগত। সুতরাং, ওহী ও যুক্তির মাঝে কোনো পার্থক্য থাকতে পারে না। যদি কখনো ওহী ও যুক্তির ম...

আকীদা পন্থী ও শবে বরাত পন্থী

১ শবে বরাত পন্থীদেরকে আপনি যদি বলেন, ‘ভাই, শবে বরাত তো কোর’আন ও হাদিসে নেই’; তাৎক্ষনিক সে আপনাকে ১০০০১ টি যুক্তি দিয়ে বলবে, ‘দেখুন, শবে বরাত কোর’আন ও হাদিসে না থাকলেও এটা ইসলামের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়’। তেমনি, আকীদা পন্থীদেরকে আপনি যদি বলেন, ‘ভাই, আকীদা তো কোর’আন ও হাদিসের কোথাও নেই’’ তাৎক্ষনিক সে আপনাকে ১০০০১ টি যুক্তি দিয়ে বলবে, ‘দেখুন, কোর’আন ও হাদীসে আকীদা না থাকলেও এটা কিন্তু ইসলামের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ২ শবে বরাত পন্থীদের যুক্তি হলো, কোর’আনে ‘লাইলাতুল মোবারক’ শব্দটি আছে, হাদিসে ‘নিসফে শাবাব’ শব্দটি আছে, সুতরাং শবে বরাত ইসলামের-ই একটি অংশ। আপনি যদি তাকে বলেন, ‘আচ্ছা, ঠিক আছে। আপনি ‘শবে বরাত’ শব্দটি ব্যবহার না করে, 'লাইলাতুল মোবারক' অথবা ‘নিসফে শাবান’ শব্দটি ব্যবহার করুন’। সে আপনার যুক্তি মানবে না। তেমনি,

'আকিদা'র হাকিকত

‘আকীদা’ শব্দটি এমন একটি শব্দ, যা দিয়ে মুসলিমদের মাঝে বিভক্তি ঘটানো হয়। ফলে এ শব্দটি এখন খুবই বিপদজনক হয়ে গেছে। কথিত এক ' এমাম ' তাঁর জনসভায় বলেছেন, “ধর্মের প্রথম হলো আকীদা, তারপর হলো ঈমান, তারপর ইসলাম। যার আকীদা ঠিক নেই, তার ঈমান ও ইসলাম কিছুই ঠিক নেই।” আমার জানার খুব ইচ্ছা, তিনি ‘আকীদা’ শব্দটি কোথায় পেলেন? কোর’আন ও হাদিসের কোথাও যে শব্দটি নেই, তা না থাকলে নাকি ঈমান ও ইসলাম কিছুই থাকে না!!! আকীদাপন্থীদের এ এক সমস্যা। ধর্মে যা নেই, তাই তারা ধর্মের মৌলিক ভিত্তি হিসাবে চালিয়ে দেয়। সাহাবীগণ ও সালফে সালেহীন কেউ যে শব্দটি ব্যবহার করেননি, সে শব্দটি দিয়েই এখন সাধারণ মুসলিমদেরকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে। অথচ, ‘আকীদা’ ধর্মের মৌলিক কোনো বিষয় নয়। আল্লাহ তায়ালা ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো সাহাবীদেরকে শিক্ষা দেয়ার জন্যে স্বয়ং জিবরাঈল (আ)-কে মানুষের আকৃতিতে সাহাবীদের সামনে উপস্থিত করলেন। এ ঘটনাটিকে আমরা হাদিসে জিবরাঈল হিসাবে জানি।

জুপিটার কেন সৃষ্টি হল?

বড়দের কাজ হলো ছোটদেরকে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করা। এ দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালা মানুষদেরকে যেমন দিয়েছেন, তেমনি সৌরজগতের গ্রহগুলোকেও দিয়েছেন। আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহের নাম জুপিটার। পৃথিবীর চেয়ে ১১ গুন বড়। অর্থাৎ, কম করে হলেও ১৩০০টি পৃথিবীকে সে একাই গিলে খেতে পারবে। বড় ভাই হিসাবে জুপিটারকে আল্লাহ তায়ালা অনেক দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে তার প্রধান দায়িত্ব হলো ছোট ভাই পৃথিবীকে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করা। বিপদ-আপদগুলো কি? এবার সে সম্পর্কে একটু বলি। বিভিন্ন সৌরজগতের কিছু কিছু নক্ষত্র মাঝেমধ্যে আমাদের সৌরজগতে বেড়াতে আসে। এদের নাম - Hot Jupiters । এরা বেড়াতে আসার পর আমাদের সৌরজগতের নক্ষত্রদের কেউ বলে, এটা আমার জায়গা, তুই এখানে আসলি কেন? বেড়াতে আসা নক্ষত্র বলে, এটা আমার জায়গা, তুই এখানে আসলি কেন? এক পর্যায়ে তাদের উভয়ের মাঝে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এবং উভয় নক্ষত্র ভেঙ্গে টুকরা টুকরা হয়ে যায়। কিছু কিছু টুকরা আকারে আমাদের পৃথিবীর মত বড় হয়, আবার কিছু কিছু টুকরা একটু ছোট হয়। এই টুকরোগুলোকেই আমরা ধূমকেতু বলি। নক্ষত্রগুলো ধ্বংস হবার পর টুকরাগুলো এদিক-সেদিক ছুটতে থাকে। কিছু কিছু টুকরা সূর্যের গায়ের উপর গিয়ে পড়ে। আর...

আমাদের দৃষ্টি সৌরজগতে যায় না, কিন্তু যায় কোথায়?

শহরের সবচেয়ে প্রাচীন Bursa Ulucami মসজিদে আসরের সালাত পড়তে গেলাম। এ মসজিদটি দেখলেই আমার প্রাণ জুড়িয়ে যায়। ১৩৯৯ সালে উসমানী খিলাফতের প্রথম শতাব্দীতে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু, আশ্চর্যের বিষয় হলো, যখন নাসার দেশ আমেরিকার কোনো অস্তিত্ব নেই। যখন ইউরোপ বিশ্বাস করতো, পৃথিবী সমতল। তখন মুসলিমদের মসজিদের মিম্বারের দু’পাশে সৌরজগতের গ্রহ নক্ষত্রে ভরা। মিম্বারের একপাশে সৌরজগতের গ্রহগুলোর আকৃতি ও পারস্পরিক দূরত্ব নিখুঁত ভাবে খচিত রয়েছে। আর অন্য পাশে খচিত রয়েছে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্যের আকৃতি, সম্পর্ক ও দূরত্ব।  ছবিগুলো দেখুন এখানে। আমাদের মুসলিম উম্মাহর মসজিদগুলো ছিল এমনি। ইমামের পায়ের নিচে থাকতো সৌরজগতের সমস্ত গ্রহ নক্ষত্রগুলো। আর এখন? ______ ইসলামের সোনালী যুগে মানুষ মসজিদে প্রবেশ করলে দেখতে পেত, সৌরজগতের কোথায় কোন গ্রহ থাকে। আর, এখন মানুষ মসজিদে প্রবেশ করলে দেখতে পায়, হাত কি বুকের উপর থাকে না নাভির নিচে থাকে। . আমাদের দৃষ্টির সীমানা সৌরজগত পর্যন্ত না যেতে পেরে এখন মুসল্লিদের পেটের উপর গিয়ে পড়ে।